1. admin@banglabahon.com : Md. Sohel Reza :
শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন
আপনিও লিখুন:
‘বাংলা বাহন’ নিউজপোর্টালে আপনাদের মতামত, পরামর্শ, সমসাময়িক কোন বিষয়ে লেখা, বিশ্লেষণ, তথ্য, ছবি ও ভিডিও পাঠাতে পারেন banglabahonbd@gmail.com ঠিকানায়।

৪২ বছর পর ঘুম ভাঙল ভয়ংকর আগ্নেয়গিরির

বিদেশ ডেস্ক
  • প্রকাশ: শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১

ক্যারিবীয় সেন্ট ভিনসেন্ট দ্বীপের সক্রিয় আগ্নেয়গিরি লা সৌফ্রেয়ার থেকে ছাই ও উত্তপ্ত নুড়ি নির্গত হচ্ছে। সর্বশেষ ৪২ বছর আগে এ আগ্নেয়গিরি থেকে লাভা উদ্‌গিরণ হয়।

শুক্রবার সকালে সেন্ট ভিনসেন্টের সর্বোচ্চ শিখর লা সৌফ্রেয়ার থেকে ছয় হাজার মিটার উচ্চতায় এ উদ্‌গিরণ শুরু হয়। স্থানীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে।

একইদিন বিকেলে দ্বিতীয় দফা উদ্‌গিরণ ঘটে। এ সময় চার হাজার মিটার উচ্চতায় ছাইয়ের মেঘে আকাশ ঢেকে যায়। ইউনিভার্সিটি অব দ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিসমিক রিসার্চ সেন্টার এ কথা জানায়।

জাতীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, ‘রেড জোন’ ও ‘অরেঞ্জ জোন’ এলাকা থেকে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া অব্যাহত আছে। তবে ছাইয়ের তীব্র উদ্‌গিরণে দৃষ্টি সীমার অস্পষ্টতার কারণে নিরাপদ স্থানে কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

৪ হাজার ৪৯ ফুট উচ্চতার লা সৌফ্রেয়ার থেকে সর্বশেষ ১৯৭৯ সালে লাভার উদ্‌গিরণ ঘটে। এ সময় দ্বীপে ১০ কোটি ডলারের ক্ষতি হয়। এ ছাড়া ১৯০২ সালে এ আগ্নেয়গিরির বড় ধরনের অগ্ন্যুৎপাতে এক হাজারেরও বেশি লোক প্রাণ হারায়।

সম্প্রতি শুরু হওয়া এ উদ্‌গিরণ কয়েক দিন কিংবা কয়েক সপ্তাহ ধরেও চলতে পারে বলে ইউনিভার্সিটি অব দ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিজ্ঞানীরা বলছেন।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী রালফ গঞ্জালভস বৃহস্পতিবারই ‘রেড জোন’ থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ জারি করেছেন। এ এলাকায় প্রায় ১৬ হাজার লোক বাস করে। শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ প্রায় সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।

বলা হচ্ছে, অগ্ন্যুৎপাত দীর্ঘদিন ধরে চললে ঘরবাড়ি ফেলে আসা এসব লোক কয়েক বছরেও হয়তো তাদের আবাসস্থলে ফিরতে পারবে না।

এ দিকে শোনা যাচ্ছে. সেন্ট ভিনসেন্টের উত্তরে মার্টিনিক দ্বীপের মাউন্ট পিলিতে অগ্ন্যুৎপাতের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ...
© বাংলা বাহন সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২০-২০২১।
ডিজাইন ও আইটি সাপোর্ট: বাংলা বাহন