1. admin@banglabahon.com : Md Sohel Reza :
রাজধানীতে ‘লকডাউন’ আরো ঢিলেঢালা
সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন

রাজধানীতে ‘লকডাউন’ আরো ঢিলেঢালা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১

করোনাভাইরাস ঠেকাতে দুই সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ উপেক্ষিত রাজধানী ঢাকার সড়ক ও বাজারে। গণপরিবহন ছাড়া সব ধরনের যানবাহন চলাচল প্রায় স্বাভাবিক। যানজটও তৈরি হচ্ছে কোথাও কোথাও। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের চেকপোস্টেও ঢিলেঢালা তল্লাশি চালাতে দেখা গেছে।

সাধারণ মানুষ বলছেন, শুধু রিকশা, সিএনজি চালিত অটোরিকশা, ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলকে জরিমানা করছে পুলিশ। অন্যদিকে ব্যক্তিগত গাড়ি এর আওতামুক্ত থাকছে।

বাস্তবেও তাই দেখা গেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় পুরান ঢাকার দয়াগঞ্জ মোড়ে দেখা যায়, যানবাহনের বেশ চাপ। সেখানে কথা হয় গেন্ডারিয়ার বাসিন্দা আজিজুর রহমানের সঙ্গে। ইসলামপুরের ব্যবসায়ী তিনি।

তিনি বলেন, দেশে লকডাউন চলছে- এটা সরকার বলছে, মানুষ বলছে। কিন্তু কাজেকর্মে কিন্তু তা বোঝা যাচ্ছে না। ‘সীমিত’বলেন আর ‘বৃহৎ’বলেন, অফিস বাদে সব কিছুই কিন্তু এখন খোলা। বিশেষ করে রমজান মাস হওয়ায় মানুষ এখন এসব বিধিনিষেধ মানতে নারাজ।

এদিন রাজধানীর টিকাটুলি মোড়, গুলিস্তান, জিপিও মোড়, পল্টন মোড়, কাকরাইল, মালিবাগ, রামপুরা, বাড্ডা, নতুনবাজার পর্যন্ত ঘুরে দেখা যায় একই চিত্র। এসব এলাকায় গণপরিবহন বাদে সব ধরনের যানবাহনে ঠাসা। কোথাও কোথাও যানবাহনের চাপে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

সরকারি নির্দেশনা ছিল, কঠোর বিধিনিষেধের সময়কালে অতি জরুরি প্রয়োজন না থাকলে ঘর থেকে বের হওয়া যাবে না। তবে দেখা গেছে ১৪ এপ্রিল শুরুর দিন থেকেই মানুষ অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বেরিয়েছেন। রাস্তায় বচসা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গেও।

পল্টন মোড়ের সানগ্লাস বিক্রেতা বাদল বলেন, সামনে ঈদ, কিন্তু ঘরে খাওয়া নাই। ঘরে বসে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে। যে কারণে দোকান খুলেছি। অন্তত দিনের খাবারটা তো জোটে।

কাকরাইল মোড়ে তরমুজ বিক্রেতা আলী বলেন, প্রথমবার অনেকেই খাওন দিছিল। এবার তো কারো কোনো খোঁজ নাই। আমরা দিন আনি দিন খাই। আমাগো পক্ষে আর ঘরে থাকা সম্ভব না।

ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, হাজারীবাগ এলাকার চেকপোস্টগুলোতে দেখা যায়, পুলিশ কিছু রিকশা রেকারিং করেছে। অনেক অনুনয় করেও ছাড় পাচ্ছে না এর চালকরা। চেকপোস্টের সামনে মোটরসাইকেল, সিএনজি পড়লে তাদের আটকানো হচ্ছে। যথাযথ কারণ দেখাতে না পারলে মামলা দেওয়া হচ্ছে। তবে প্রাইভেট কারগুওলো মোটামুটি এই জিজ্ঞাসাবাদের আওতামূক্ত।

আলমগীর হোসেন নামে একজন পাঠাও চালক বলেন, পুলিশ শুধু গরীবের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করছে। বড়লোকের গাড়ি না ধরলেও আমাদের ঠিকই মামলা দিচ্ছে। আমরা ঘরে মরছি, রাস্তায়ও মরছি। এদিকে লকডাউনের কারণে কাজ হারানো মানুষদের বড় অংশ রাতের আধারে নানা কায়দায় ঢাকা ছাড়ছেন। আবার অনেকে পণ্যবাহী পরিবহনে ঢাকায়ও আসছেন।

শেয়ার করতে চাইলে...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ...
© বাংলা বাহন সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০১৯-২০২৪।
ডিজাইন ও আইটি সাপোর্ট: বাংলা বাহন
error: Content is protected !!