1. admin@banglabahon.com : Md Sohel Reza :
উপজেলায় প্রধান নির্বাহী চেয়ারম্যান, সাচিবিক দায়িত্ব ইউএনও’র
বুধবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৩, ০৩:২৭ অপরাহ্ন

উপজেলায় প্রধান নির্বাহী চেয়ারম্যান, সাচিবিক দায়িত্ব ইউএনও’র

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশ: রবিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৩
উপজেলায় প্রধান নির্বাহী চেয়ারম্যান, সাচিবিক দায়িত্ব ইউএনও’র

এখন থেকে উপজেলা পরিষদে প্রধান নির্বাহী দায়িত্বপালন করবেন চেয়ারম্যান ও সাচিবিক দায়িত্বপালন করবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি সোহেল চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বিভাগের দ্বৈত বেঞ্চ ২৯ মার্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

২০১১ সালে উপজেলা পরিষদ আইন সংশোধন করে ইউএনওকে পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা করা হয়। আইন সংশোধনের পর ইউএনওরা চেয়ারম্যানদের উপদেষ্টা করে নিজেরাই উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কমিটির সভাপতি হতেন। অবস্থাদৃষ্টে নির্বাচিত চেয়ারম্যারা ইউএনওর অধীনস্থ কর্মচারী মনে হওয়ায় গড়ায় উচ্চ আদালত পর্যন্ত।

রায়ে বলা হয়, সংবিধানের নির্দেশনা ও আইন অনুযায়ী উপজেলা পরিষদই উপজেলা প্রশাসন। অর্থাৎ এতদিন উপজেলা প্রশাসন বলে যা বলা হয়েছে, তা সঠিক ছিল না। উপজেলা প্রশাসন লেখা ঠিক হয়নি। সংশোধিত উপজেলা পরিষদ আইন ২০১১-এর ৩৩ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সুতরাং ওই আইনের বিতর্কিত ধারাটি বাতিল করা হলো। অর্থাৎ ইউএনও আর উপজেলা পরিষদের আওতায় গঠিত কোনো কমিটির সভাপতি থাকতে পারবেন না।

নির্ধারিত কাজের বাইরে ইউএনও উপজেলা পরিষদকে সাচিবিক সহায়তা দেবেন। ২০১০ সালে জারি করা চার্টার্ড অব ডিউটিজ অনুসরণ করে হস্তান্তরিত ১৭ বিভাগের কাজ উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুমোদনে সম্পন্ন হবে। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও ভাইস-চেয়ারম্যানকে অপসারণে জুডিশিয়াল চার্জ গঠন করতে হবে।
তাছাড়া আইনের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তাদের অপসারণ, অনির্বাচিতদের ভোটে পরিষদ চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যানকে অপসারণ না করার বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত। অর্থাৎ উপজেলা পরিষদের জন্য যারা নির্বাচিত নন, তাদের ভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান বা ভাইস-চেয়ারম্যানকে অপসারণ করা যাবে না। উচ্চ আদালত দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের নির্দেশ দিয়েছেন।

জানতে চাইলে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. হারুন আর রশীদ হওলাদার গণমাধ্যমকে বলেন, দেশের সংবিধান ও উপজেলা পরিষদ আইন অমান্য করে অফিস আদেশ, পরিপত্র ও প্রজ্ঞাপন জারি করে উপজেলা পরিষদ অকার্যকর করে রাখা হয়েছে। তার প্রশ্ন-জাতীয় সংসদে প্রণীত আইন বড় না পরিপত্র বড়? আইনের বিধান কি? পরিপত্রে বাতিল করা যায়?

তিনি আরও বলেন, ‘সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রশাসনের সব পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে। উপজেলা পরিষদ আইনের বেশ কিছু ধারা বিভিন্ন সময়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে বাতিল করা হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, টপ টু বটম আমলাদের মানসিকতার সমস্যা। তারা কোনোভাবেই জনপ্রতিনিধিদের নেতৃত্ব মানতে চান না। তারা যে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী, সেই কথা ভুলে যান। সবকিছু একক কর্তৃত্বে করতে চান। জনপ্রতিনিধিদের তারা তুচ্ছজ্ঞান করছেন। আমরা উচ্চ আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞ। আদালত সংবিধান ও আইন অনুসারে রায় দিয়েছেন।’

 

শেয়ার করতে চাইলে...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ...
© বাংলা বাহন সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০১৯-২০২৩।
ডিজাইন ও আইটি সাপোর্ট: বাংলা বাহন
error: Content is protected !!