1. admin@banglabahon.com : Md. Sohel Reza :
শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন
আপনিও লিখুন:
‘বাংলা বাহন’ নিউজপোর্টালে আপনাদের মতামত, পরামর্শ, সমসাময়িক কোন বিষয়ে লেখা, বিশ্লেষণ, তথ্য, ছবি ও ভিডিও পাঠাতে পারেন banglabahonbd@gmail.com ঠিকানায়।

পুলিশ হেফাজতে আসামির মৃত্যু: এসআইসহ ৩ পুলিশের যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশ: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
ছবি: ইন্টারনেট

পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় ইশতিয়াক হোসেন জনি নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগের মামলায় পল্লবী থানার সাবেক উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহিদুর রহমান জাহিদসহ তিন পুলিশ সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া মামলার অপর দুই আসামির সাত বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েস এ রায় ঘোষণা করেন। নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনের এটি প্রথম রায়। আইনটি ২০১৩ সালে পাস হয়।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন- পল্লবী থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রাশেদুল ও এএসআই কামরুজ্জামান মিন্টু। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেকে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

অন্য দুই আসামি হলেন- পুলিশের কথিত সোর্স সুমন ও রাসেল। তাদের ৭ বছর করে কারাদণ্ড হয়েছে। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের প্রত্যেকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডিত আসামিদের মধ্যে কামরুজ্জামান ও রাসেল পলাতক। আগে থেকেই কারাগারে আছেন জাহিদুর রহমান ও সুমন। জামিনে ছিলেন রাশেদুল ইসলাম। রায়ের পর তাকে আজ কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার বাদী নিহত জনির ছোট ভাই ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।

রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি আবদুল্লাহ আবু বলেন, এর মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আইনের চোখে সবাই সমান, সেটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছেন আসামি পক্ষের আইনজীবী ফারুক আহমেদ।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন করে জনিকে মারার অভিযোগ এনে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন নিহতের ভাই ইমতিয়াজ হোসেন রকি। ওই দিন আদালত মামলাটি গ্রহণ করে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। এরপর ২০১৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বিচার বিভাগীয় তদন্ত শেষে ৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। ২০১৬ সালের ১৭ এপ্রিল উপপরিদর্শক জাহিদসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় মোট ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ...
© বাংলা বাহন সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২০-২০২১।
ডিজাইন ও আইটি সাপোর্ট: বাংলা বাহন