1. admin@banglabahon.com : Md Sohel Reza :
চারদিন বন্ধের পরেও গ্রাহকশূন্য ব্যাংকগুলো
রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ০৬:১৬ অপরাহ্ন

চারদিন বন্ধের পরেও গ্রাহকশূন্য ব্যাংকগুলো

অর্থনীতি প্রতিবেদক
  • প্রকাশ: সোমবার, ৫ জুলাই, ২০২১
Bankless_Customer
ছবি: টানার ছুটির পরও গ্রাহকশূণ্য ব্যাংক। (আগের ছবি)-গুগল

বৃহস্পতিবার ব্যাংক হলিডে এবং সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার ও শনিবার, রবিবারও ছিল ব্যাংক বন্ধ। টানা চারদিন বন্ধ থাকার পর সোমবার খোলা হলেও তেমন গ্রাহক দেখা যায়নি ব্যাংকগুলোতে। ব্যাংকগুলোর প্রায় প্রতিটি কাউন্টারই ছিল ফাঁকা।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে সরকারের দেয়া কঠোর বিধি-নিষেধের মধ্যে পরিবর্তন এসেছে ব্যাংক ও আর্থিকখাতের লেনদেনে। সোমবার (৫ জুলাই) থেকে ব্যাংকে লেনদেনের সময়ে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত লেনদেন চললেও আজ থেকে ব্যাংকগুলো সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত খোলা ছিলো। আর আনুষঙ্গিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সাড়ে ৩টা পর্যন্ত খোলা ছিলো ব্যাংকগুলো।

তবে মতিঝিল ব্যাংকপাড়ায় কিছুটা উপস্থিতি দেখা গিয়েছিলো গ্রাহকের। ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সর্বাত্মক বিধিনিষেধের আগেই অধিকাংশ গ্রাহক লেনদেন সম্পন্ন করেছেন। আবার গণপরিবহন বন্ধ ও জনসাধারণ চলাচলে কড়াকড়ি থাকায় অনেকে আসছেন না। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে লেনদেন পুরোদমে জমে উঠবে বলে আশা তাদের।

এদিকে আজ রাজধানীর বিভিন্ন বেসরকারি ও সরকারি ব্যাংক ঘুরে দেখা গেছে, এদিন সকাল থেকে ব্যাংকের শাখা খোলা থাকলেও ব্যাংকে গ্রাহকের উপস্থিতি তেমন ছিলো না। এর মাঝে ব্যাংকে উপস্থিত অধিকাংশ গ্রাহকই এসেছিলেন বিভিন্ন বিল জমা দিতে। একই চিত্র দেখা গিয়েছে অন্যান্য শাখাগুলোতেও। অন্যদিকে মতিঝিলে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকে গ্রাহকের উপস্থিতি চোখে পরলেও তা অন্যদিনের তুলনায় ছিলো অনেক কম।

ব্যাংকটির কর্মকর্তারা বলছেন, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে আজ গ্রাহকের উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল। বেতন-বোনাসসহ অন্যসেবা দেয়ার জন্য অনেক বড় বড় গ্রাহক এসেছেন তবে ছোট ও মধ্যম শ্রেণীর গ্রাহকের সংখ্যা খুব বেশি নেই।

এর আগে গত ২৬ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ সাইট সুপারভিশন থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অত্যাবশ্যকীয় বিভাগসমূহ, যথাসম্ভব সীমিত লোকবলের মাধ্যমে খোলা রাখতে হবে। ব্যাংকের প্রিন্সিপ্যাল বা প্রধান শাখা এবং সকল বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা (এডি শাখা) সীমিত সংখ্যক অত্যাবশ্যকীয় লোকবলের মাধ্যমে খোলা রাখতে হবে।’

এতে আরও বলা হয়েছে, রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকসমূহের ক্ষেত্রে ব্যাংক ব্যবস্থাপনা বিবেচনায় প্রতিটি জেলা সদর ও উপজেলায় ১টি করে শাখা খোলা রাখা যাবে। আর অন্যান্য সকল ব্যাংকের ক্ষেত্রে জেলা সদরে ১টি শাখা খোলা রাখতে হবে এবং জেলা সদরের বাইরে ব্যাংক ব্যবস্থপনায় অনধিক ২টি শাখা খোলা রাখা যাবে। কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংসেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে। এটিএম বুথে সার্বক্ষণিক পর্যাপ্ত নোট সরবরাহসহ সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে।’

শেয়ার করতে চাইলে...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ...
© বাংলা বাহন সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০১৯-২০২৪।
ডিজাইন ও আইটি সাপোর্ট: বাংলা বাহন
error: Content is protected !!